সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীর আলোয় আলোকিত নগরকান্দা – সালথা উপজেলাবাসী

editoreditor
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  10:55 PM, 19 July 2021

নিজাম নকিব :

সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী বাংলাদেশের বিশিষ্ট প্রমিলা রাজনীতিবিদ। তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সিনিয়র প্রেসিডিয়া সদস্য, ফরিদপুর -২ নগরকান্দা -সালথ আসনের সংসদ সদস্য ও জাতীয় সংসদের সংসদ উপনেতা। এর আগে তিনি পরিবেশ ও বনমন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।

১৯৫৬ সাল থেকে সাজেদা চৌধুরী আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। ১৯৬৯–১৯৭৫ সময়কালে তিনি বাংলাদেশ মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে কলকাতা গোবরা নার্সিং ক্যাম্পের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক ছিলেন তিনি। ১৯৭১ সালে তিনি মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন।

১৯৭২-১৯৭৫ সময়কালে বাংলাদেশ নারী পুনর্বাসন বোর্ডের পরিচালক, ১৯৭২-১৯৭৬ সময়কালে বাংলাদেশ গার্ল গাইডের ন্যাশনাল কমিশনার এবং ১৯৭৬ সালে বঙ্গবন্ধুর হত্যাকাণ্ডের পর বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

১৯৮৬ থেকে ১৯৯২ সাল পর্যন্ত তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, ১৯৯২ সাল থেকে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কর্তৃক প্রদত্ত পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তি বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়কের দায়িত্বও তিনি পালন করছেন। এমন একজন আলোকিত মানুষকে পেয়ে আলোকিত হয়েছে নগরকান্দা – সালথা উপজেলাবাসী। এই দুই উপজেলার ১টি পৌরসভা, ১৮ টি ইউনিয়নের নিভৃত পল্লীগুলোতে জ্বলছে বিদ্যুতের আলো, কাঁচা রাস্তা করা হয়েছে পাকা, অগনিত শিক্ষা-সামজিক প্রতিষ্ঠানে নির্মাণ করা হয়েছে ডিজিটাল ভবন, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে করা হয়েছে জাতীয় করণ, বিদ্যুতবিহীন নগরকান্দা -সালথা এখন শতভাগ বিদ্যুতায়িত এলাকা। ১৯৯৬ সাল থেকে তিন মেয়াদে সংসদ সদস্য থাকায় নগরকান্দা – সালথার উন্নয়ন এখন চোখে পড়ার মতো। তিনি উন্নয়নের রাজনীতিতে বিশ্বাসী। যার কারণে নগরকান্দা -সালথার গণ-মানুষের একমাত্র আস্থার ঠিকানা এখন সংসদ উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী এমপি। সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীর শারীরিক অসুস্থায়, নগরকান্দা- সালথার উন্নয়নের হাল ধরেছেন তার রাজনৈতিক প্রতিনিধি কনিষ্ঠপুত্র শাহদাব আকবর চৌধুরী লাবু।
শাহদাব আকবর চৌধুরী (লাবু চৌধুরী) বলেন, সুখে-দুখে নগরকান্দা সালথা এবং কৃষ্ণপুর বাসীর পাশে থাকাই আমার মায়ের ইচ্ছা ও আমার রাজনৈতিক লক্ষ্য। তিনি আরও বলেন আমার মা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী আজীবন নগরকান্দা-সালথা এবং কৃষ্ণপুরবাসীর ভাগ্য উন্নয়নে কাজ করে আসছেন। আমি আমার মায়ের সাথে ১৯৮৬ সাল থেকে রাজনৈতিক প্রতিনিধি এবং তার প্রতিটি নির্বাচনে প্রধান সমন্বয়কারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছি। সেই সময় থেকে আজ পর্যন্ত আমার মাকে দেখেছি নগরকান্দা- সালথার মাটি ও মানুষের কথা ভাবতে। তিনি এখানে যতটুক উন্নয়ন করতে চেয়েছেন তার চেয়েও সর্বক্ষেত্রে বেশি করেছেন। আমার গর্বে বুক ভরে যায় যখন আমি দেখি বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ এবং আমার মা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী ও তার মনোনীত প্রতিনিধির প্রশ্নে নগরকান্দা সালথা এবং কৃষ্ণপুর বাসী ঐক্যবদ্ধ। আমি আশা করব আগামীদিনেও ফরিদপুর-২ আসনের আওয়ামীলীগ এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের সর্বস্তরের নেতাকর্মী ও সমর্থকদের এই ঐক্য আরো সুদৃঢ় হবে।

লাবু চৌধুরী বলেন আমার মা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। তার নাম বাদ দিলে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের ইতিহাস ম্লান হয়ে যাবে। কারন তিনি আওয়ামীলীগের সকল ক্রান্তিলগ্নে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ন পদে দায়িত্ব পালন করেন। আমার মা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদিকা ছিলেন। রাজনৈতিক চুলচেরা বিশ্লেষনে এটাই প্রতীয়মান হয় যে, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের নাম আসলে সেখানে সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীর নাম আসবে। শাহদাব আকবর চৌধুরী (লাবু চৌধুরী) বলেন বর্তমান আওয়ামীলীগ সরকারের সাড়ে ১২ বছরের শাসনামলে নগরকান্দা-সালথা উপজেলা এবং কৃষ্ণপুর ইউনিয়নের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, চিকিৎসা, খাদ্য, বিদ্যুৎ, রাস্তাঘাট, ব্রীজ, কালভার্ট সহ সার্বিক ক্ষেত্রে যে অভূতপূর্ব উন্নতি হয়েছে অতীতের কোন সময়ে এমনটি হয়নি। আর এ সবই হয়েছে নগরকান্দা-সালথা মাটি ও মানুষের প্রিয় নেত্রী আমার মা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীর আন্তরিকতার কারনে। তাই আমি আশা করব আগামী দিনগুলোতে আমার মা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীর নেতৃত্বে সকল নেতা-কর্মী নতুন উদ্যমে কাজ করে যাবেন।

আপনার মতামত লিখুন :